ক্যারিয়ার গাইডলাইন

+8801787659323

বর্তমানে কোন কাজটি শিখলে বেশি ইনকাম সম্ভব?

নতুনদের মধ্যে খুবই কমন প্রশ্ন হচ্ছে, কোন কাজটির বর্তমানে চাহিদা বেশি?
উত্তরটি জানার আগে নিচের ডাটাটি একটু দেখে নিন।
🔰 জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্কের আজকের দিনে কোন কাজের জন্য কয়টি জব পোস্ট হয়েছে?
Graphics: 44,478 । Web: 50,689 । Digital Marketing: 45,396
একদিনে জব পোস্টের হিসেবে দেখা যাচ্ছে, আজকের দিনের চাহিদা হিসেব করলে উনিশ বিশ। তার মানে কোনটার চাহিদা কম বা বেশি বলতে পারবেন না। এতো গেলো একটি মার্কেটপ্লেস।


এবার দেখা যাক, মার্কেটপ্লেসের বাহিরে কোনটির চাহিদা কেমন?
১) গ্রাফিক ডিজাইনার: প্রতিটা প্রতিষ্ঠানকেই এখন অনলাইনে প্রমোশন করতে হয়। অনলাইনে প্রমোশন করার যে ইমেজগুলো দেখেন অনলাইনে , এগুলোর সবই গ্রাফিক ডিজাইনারদের করা। এ থেকেই বুঝে নিতে পারেন, সারা বিশ্বের যত বিজনেস প্রতিষ্ঠান আছে, যারা অনলাইনে প্রমোশন চালাচ্ছেন, সকল প্রতিষ্ঠানেই ডিজাইনারদের সাপোর্ট জরুরী। তাহলে এখান থেকে বুঝে নিন ডিজাইনারদের চাহিদা কেমন?
২) ডিজিটাল মার্কেটার: প্রতিটা বিজনেসেরই ইনকামের জন্য বায়ার খুজতে হয়, বায়ারের কাছে প্রডাক্ট বা সার্ভিস সেল করতে হয়। এই বায়ার খুজে না পেলে, সেল না হলে বিজনেসগুলো অফ হয়ে যাবে। এ বায়ার খোজার গুরুত্বপূর্ণ কাজটিই করে থাকে ডিজিটাল মার্কেটার। ব্রান্ডিং বা সেলস এর জন্য বিজনেসগুলো একজন এক্সপার্ট ডিজিটাল মার্কেটারের উপর দায়িত্ব দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে চায়। ডিজিটাল মার্কেটারের চাহিদা এখান থেকেই বুঝে নিতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের ফ্রী সেমিনারে রেজিস্ট্রেশন করতে এখনই ক্লিক করুনঃ
https://blog.coderstrustbd.com/registration/


৩) ওয়েব ডেভেলপার: প্রতি মিনিটে ১৭৫টা নতুন ওয়েবসাইট, সেই হিসেবে সারাবিশ্বে প্রতিদিন ২,৫২,০০টা নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। সেই হিসেবে প্রতি বছর সংখ্যা আরও বাড়তেছে। এই ওয়েবসাইট তৈরি যেমন হচ্ছে, আবার এই ওয়েবসাইটগুলো আবার সব সময় মেইনটেইনসের জন্য একজন ওয়েবডেভেলপারকেই হায়ার করতে হয়। তাহলে তাদের ডিমান্ডও অনেক।


এবার আসা যাক, প্যাসিভ ইনকামের সুযোগ কার কতটা বেশি?
গ্রাফিক ডিজাইন: গ্রাফিক রিভার, freepik এর মত আরও অসংখ্য মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে ডিজাইনের কাজ করে সাবমিট করতে পারেন। সেই ডিজাইন সারাজীবন পযন্ত যতবার সেল হবে, ততবারই কমিশন পাবেন। একটা ডিজাইন থেকে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ইনকাম করতে পারছেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে, গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য চমৎকার প্যাসিভ ইনকামের সুযোগ রয়েছে।
ডিজিটাল মার্কেটিং: ডিজিটাল মার্কেটাররা একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে, সেটাকে এসইও করে র‌্যাংকিং করিয়ে রাখে। তারপর সেই ওয়েবসাইট থেকে অ্যাডসেন্স, অ্যাফিলিয়েশন্স এর মাধ্যমে সারাজীবন ইনকাম করতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য এই লোভনীয় প্যাসিভ ইনকামের সুযোগ কে মিস করতে চায়, বলেন।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট: ওয়েবডেভেলপার হিসেবে একটা থিম বানিয়ে সেটাকে থিমফরেস্টে আপলোড করে রাখবেন, সেই থিম যতবার মানুষ কিনবে, ততবার আপনার ইনকাম। অর্থাৎ একবার কষ্ট করে থিম বানিয়ে, তারপর ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ইনকাম। থিমফরেস্টে এরকম অনেক থিম রয়েছে, যে থিম থেকে এখন পযন্ত ৩-৫ কোটি টাকা ইনকাম হয়েছে। প্যাসিভ ইনকামের জন্য ওয়েবডেভেলপমেন্ট ও তাহলে খুবই লোভনীয় একটা স্কীল।
এবার লোকাল চাকুরি বাজারের চাহিদাগুলো দেখা যাক:
Graphics 1617 । Digital marketing: 1318 । Web development: 1404
বিডিজবসের আজকের ডাটা শেয়ার করলাম। এ ডাটা দেখেই বুঝতে পারছেন, আজকের দিনে কোন ক্যাটাগরির কয়টি চাকুরির সুযোগ রয়েছে।
অনেকগুলো দৃষ্টিকোন থেকে ৩টি জনপ্রিয় সেক্টরের বাজার চাহিদা দেখানোর চেষ্টা করলাম। উপরের সবগুলো দৃষ্টিকোনে তথ্যগুলো দেখলে এটাই বুঝা যাচ্ছে, সব সেক্টরেরই একই রকম চাহিদা রয়েছে। সো , বাজারের চাহিদা যাচাই করে ফ্রিল্যান্সিং করার স্কীল সিলেক্ট করার কোন প্রয়োজন নাই। কোন কাজটিতে আপনার ইন্টারেস্ট বেশি, কোন কাজটি আপনি শুধুমাত্র টাকার জন্য নয়, নেশা হিসেবে করতে পারবেন, সেই কাজটিকেই ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিন। টাকার লোভে বা অন্যকে সফল হতে দেখে, সেই বিষয়ে স্কীল হওয়ার টার্গেট করলে, স্কীল হওয়ার জার্ণি চলাকালীন আপনার ঝড়ে যাওয়া কেউ ঠেকাতে পারবেনা।
এখন কে কি করে বা আমাকে কি করতে বলল সেটা কে পাত্তা না দিয়ে আপনার কি ভালো লাগে সেটা কে গুরুত্ব দিন। হয়ত পয়সা কম কামাবেন কিন্তু আত্নতৃপ্তি পাবেন।
যদি পছেন্দের কিছু না থাকে তাহলে প্রতিটি বিষয় নিয়ে রিসার্চ করেন, তারপর সিদ্ধান্ত নেন কোনটিতে আপনি ভালো করতে পারবেন।
সিদ্ধান্তটা অবশ্যই নিজে নিবেন কারণ অন্যের থেকে ভালো আপনি নিজেকে বেশি জানেন। 

Share this post :

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest

Latest Post