ক্যারিয়ার গাইডলাইন

+8801787659323

ফেসবুক থেকে ইনকামের ৯টি উপায়

ফেসবুক এখন আর শুধু সময় নস্ট করার জায়গা না। ফেসবুককে ব্যবহার করেই এখন অনেকে তাদের ক্যারিয়ার সাজিয়েছে।

ফেইসবুক ব্যবহার জেনেই কীভাবে ইনকাম করতে পারবেন, সেটি নিয়েই নিচে আলোচনা করা হবে।


১. এফ কমার্স : ফেইসবুকে পেজ খুলেই বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসা করা যায়। যেটা ইদানীং সবাই ফেইসবুকে দেখছেন। যারা এভাবে কাজ করছেন, তাদের মাসিক আয় হচ্ছে ১০ হাজার টাকা ৩০ হাজার টাকা। কারও কারও ভালো ইনভেস্ট থাকার কারণে আরও বেশিও ইনকাম হচ্ছে। সেটা ১লাখ-২লাখও হতে পারে।
প্রোডাক্ট : শাড়ি, মেয়েদের ড্রেস, গিফট আইটেম ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ : ছোটো ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট সিলেক্ট, প্রোডাক্ট ডেলিভারি, মার্কেটিং
২. টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন : বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ইনকাম সোর্স হচ্ছে টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন। এ অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেইসবুককেই ব্যবহার করা হয়। এভাবে মাসে ১০ হাজার টাকা থেকে ১লাখ টাকা ইনকাম করা সম্ভব।
প্রোডাক্ট : টি-শার্ট, মগ, হুডি ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ : নিশ সিলেক্ট, অডিয়েন্স টার্গেট, মার্কেটিং

ফ্রিল্যান্সিংয়ের ফ্রী সেমিনারে রেজিস্ট্রেশন করতে এখনই ক্লিক করুনঃ
https://blog.coderstrustbd.com/registration/


৩. হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশন : হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেইসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়। ইনকাম কয়টা সেল করেছেন, সেই অনুযায়ি বাড়তে থাকে। ইনকাম মাসে ৫০০০ টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা হতে পারে। তবে হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া সম্ভব না। কারণ নিয়মিত ইনকাম সম্ভব হবে না।
প্রোডাক্ট : বিভিন্ন কোম্পানির হোস্টিং
চ্যালেঞ্জ : কনটেন্ট ডেভেলপ, সম্ভাব্য কাস্টমার খুজে বের করা, মার্কেটিং
৪. লোকাল ব্যবসা : লোকাল যেকোনো ব্যবসার প্রোফিট বৃদ্ধির জন্য এখন ফেইসবুক মার্কেটিংকে সবাই ব্যবহার করছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, ফ্যাশন হাউজ থেকে শুরু করে আরও অন্যান্য ব্যবসাতেও ফেইসবুকে মার্কেটিং করেই ইনকাম বৃদ্ধি করতে হয়।
প্রোডাক্ট : সার্ভিস, ট্রেনিং, প্রোডাক্ট ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ : ইনভেস্ট, প্রোডাক্ট বাছাই, দক্ষ ব্যক্তি, মার্কেটিং
৫. লোকাল চাকরি : যেকোনো ব্যবসাতে যেহেতু ফেইসবুক মার্কেটিং এখন বড় একটি ফ্যাক্ট। সুতরাং প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে এ কাজটি করার জন্য ফেইসবুক মার্কেটিংয়ের এক্সপার্ট লোকদের চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে এখন পর্যন্ত ১২ হাজার টাকা তেকে ৬০ হাজার টাকা বেতনে এ সেক্টরে চাকরিতে নিচ্ছে।
প্রোডাক্ট : সার্ভিস, ট্রেনিং, প্রোডাক্ট ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ : রিয়েল কাজের অভিজ্ঞতা, ব্যবসাতে প্রফিট বৃদ্ধি করা
৬. সাইটে ট্রাফিক আর সেখান হতে অ্যাডসেন্স : একটা সাইটে যত বেশি ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন, তত সাইটের অ্যাডভার্টাইজ হতে ইনকাম বৃদ্ধি পাবে। ইনকাম ৫০০০ টাকা থেকে ১ লাখ হতে পারে।
প্রোডাক্ট : একটা ব্লগ সাইট
চ্যালেঞ্জ : নিশ সিলেক্ট, সাইট প্রস্তুত, কনটেন্ট ডেভেলপ, মার্কেটিং
৭. নিজের দক্ষতাকে ব্রান্ডিং : আপনি যদি নিজেকে দক্ষ মনে করেন, কিন্তু কোথাও তারপরও চাকরি হচ্ছে না, তাহলে সেক্ষেত্রে বলব, আপনি আপনার দক্ষতাকে ফেইসবুকের মাধ্যমে প্রমোশন চালান। তাহলে ফেইসবুকের মাধ্যমেই অনেকে দক্ষতার ব্যপারে জানতে পারলে আপনার কাজের অভাব হবে না। কাজ আপনাকে খুজে বের করবে। তখন কাজ করে শেষ করতে পারবেন না।
প্রোডাক্ট : নিজের দক্ষতা
চ্যালেঞ্জ : কনটেন্ট ডেভেলপ, দক্ষতা সম্পর্কিত গ্রুপগুলোতে অ্যাক্টিভ থাকা, মার্কেটিং
৮. ফাইভারের গিগ সেল বৃদ্ধি : ফাইভারে গিগের যত বেশি প্রমোশন চালাবেন, ততই গিগ সেল বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু ফেইসবুক প্রমোশন চালাতেও সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে। সঠিক জ্ঞান ছাড়া গিগ প্রমোশন চালালে ফাইভারে ইনকাম বাড়বে, উলটো ফাইভার অ্যাকাউন্টটাই নষ্ট হয়ে যাবে।
প্রোডাক্ট : ফাইভার গিগ
চ্যালেঞ্জ : অডিয়েন্স টার্গেট করতে পারা, কনটেন্ট ডেভেলপ করতে পারা, মার্কেটিং
৯. মার্কেটপ্লেসে কাজ : ফেইসবুক যেহেতু মার্কেটিংয়ের অনেক বড় প্লাটফরম, সেহেতু মার্কেটপ্লেসে এখন প্রচুর কাজ পাওয়া যাচ্ছে এ সম্পর্কিত। মাসে ৫০০০-৫০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারেন।
প্রোডাক্ট : বায়ার রিকোয়েরমেন্ট অনুযায়ি সার্ভিস
চ্যালেঞ্জ : কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রমাণ, বায়ার কনভেন্স করতে পারা এবং রিপোর্টিং।
ফেইসবুকের মাধ্যমে ইনকাম করবেন বলেছি, কিন্তু ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিতে পারেন কিংবা বিভিন্ন গ্রুপে গিয়ে লিংক শেয়ার করতে পারেন কিংবা পেইজে লাইক বৃদ্ধি করতে পারেন দেখে ফেইসবুক মার্কেটার হয়ে গেছেন ভেবে আত্মতৃপ্তিতে ভোগার দরকার নাই। আগে সঠিকভাবে ফেসবুক মার্কেটিং শিখতে হবে। এটা একটা স্মার্ট স্কীল।

Share this post :

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest

Latest Post