ক্যারিয়ার গাইডলাইন

+8801787659323

গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে আয় করার ৫ টি উপায়

আপনার নিজের ব্যবসা শুরু করুন

আপনি খুব সহজেই ব্যবসা করতে পারেন ‍আপনার ডিজাইন আইডিয়া ব্যবহার করে। একটা ব্যবসা সফল হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো সুন্দর ডিজাইন। আপনি ব্যবসা শুরু করলে লোগো থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ার ডিজাইন সব নিজেই করতে পারবেন। যার ফলস্বরূপ আপনাকে অন্য কার উপর নির্ভর করতে হবে না। ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী আপনি নিজের আইডিয়া দিয়ে সুন্দর ডিজাইন করে ক্লায়েন্ট ধরে রাখতে পারবেন। আপনি একজন ডিজাইনারের পাশাপাশি যদি নিজের বিজনেসই চালান তবে আপনার ক্লায়েন্ট অন্য কোন জায়গায় সুইচ হওয়ার সুযোগ থাকে না। আপনার ব্যবসা শুরু করার আগে অবশ্যই আপনার যে স্টেপ গুলো ফলো করা উচিত তা হলঃ

১.আপনার নিশ সংজ্ঞায়িত করুন:

আপনার ডিজাইনের নির্দিষ্ট একটি এরিয়া নির্ধারণ করুন এবং সে বিষয়ে নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলুন। আপনার অফারগুলো যাতে অন্যদের তুলনায় ভিন্ন হয় সে বিষয়ে খেয়াল রাখলে মার্কেটে আপনার আলাদা জায়গা তৈরি হতে সহায়তা করবে।

২.একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করুন:

আপনার ব্যবসা শুরুর আগে অবশ্যই আপনার একটা প্রপার প্ল্যান করা উচিত। এর ফলস্বরূপ আপনার ব্যবসার লক্ষ্য, আপনার নির্দিষ্ট কাস্টমার এবং আপনার অফারগুলো সম্পর্কে আপনার কোন সন্দেহ থাকবে না। এটি আপনার ব্যবসার জন্য একটি রোডম্যাপ হিসাবে কাজ করবে এবং আপনাকে ফোকাস থাকতে সাহায্য করবে।

৩.একটি অনলাইন উপস্থিতি তৈরি করুন:

আপনার একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করুন যাতে আপনার একটি প্রোপার পোর্টফোলিও, কাজ এবং যোগাযোগের তথ্য প্রদর্শন করে। অবশ্যই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গুলো যেমনঃ ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, লিঙ্কডীন, ইত্যাদিতে আপনার কানেকশন বৃদ্ধি করুন এবং আপনার কাজগুলো আপলোড করুন।

৪.চমৎকার গ্রাহক সেবা প্রদান:

আপনার গ্রাহক সেবা বা কাজ কত ভালো হবে তার উপর আপনার ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। কারন আপনি যত ভালো সার্ভিস প্রদান করবেন তত ভালো এবং স্ট্রং ক্লায়েন্ট পাবেন। সন্তুষ্ট ক্লায়েন্টরা বারবার আপনার গ্রাহক হওয়ার এবং অন্যদের আপনার কাছে রেফার করার সম্ভাবনা বেশি থাকবে তাই অবশ্যই ক্লায়েন্টদের সন্তুষ্ট করার প্রচেষ্টায় থাকুন।

৫.ক্রমাগত শিখতে থাকা:

গ্রাফিক ডিজাইন এমন একটি ক্ষেত্র যাতে আপনার অবশ্যই ক্রমাগত শিক্ষা প্রয়োজন পরবে কারন ডিজাইনের টুলসগুলো এবং সফটওয়্যার গুলো ক্রমাগত আপডেট হতে থাকে। যদি আপডেটেড সফটওয়্যার বা টুলস গুলো সম্পর্কে প্রোপার ধারণা না থাকে তবে আপনার ডিজাইন যেমন সুন্দর না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তেমন ক্লায়েন্টের সেটিস্ফেকশন না হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে

আপনি ইউটিউব চ্যানেল খুলে সেখানে টিউটরিয়াল তৈরি করতে পারেন। আপনার নিজের জ্ঞানকে নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অন্যদের শিখানোর মাধ্যমে সহজেই টাকা আয় করতে পারেন। ইউটিউব চ্যানেলের টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে আপনার যেমন অন্যকে শিখানো হবে তেমনি আপনার নিজের একটি পোর্টফলিও তৈরি হতে সাহায্য করবে। আপনার ইউটিউব চ্যানেল শুরু করার আগে অবশ্যই আপনার যে স্টেপ গুলো ফলো করা উচিত তা হলঃ

১.আপনার চ্যানেলের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করুন:

আপনার চ্যানেলের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা জরুরি কারন উদ্দেশ্যবিহীন কোন কাজ কখনও সফল হয় না। আপনি অবশ্যই কোন ধরনের ডিজাইন টিউটোরিয়াল, টিপস, প্রসেস ভিডিও করতে চাচ্ছেন সে বিষয়ে আগে , বা একটি সংমিশ্রণ ভাগ করতে যাচ্ছেন?

২.আপনার চ্যানেলের জন্য একটি ব্র্যান্ড তৈরি করুন:

আপনার চ্যানেলের জন্য একটি ব্র্যান্ড তৈরি করা আপনার প্রাথমিক দায়িত্ব। একটি ভালো এবং ফেমাস ব্র্যান্ড একটি চ্যানেলের রিচ ও ভিউ বারাতে সহায়তা করে এবং চ্যানেলকে স্ট্রং করে তুলে। যার ফলে সিল্ভার কিংবা গোল্ডেন বাটন পেয়ে আপনার ইউটিউব চ্যানেলকে আরও ফ্লেক্সিবল করে আপনার ইউটিউব বিজনেসকে সফল করা সম্ভব।

গ্রাফিক ডিজাইনের ফ্রী সেমিনারে রেজিস্ট্রেশন করতে এখনই ক্লিক করুনঃ
https://blog.coderstrustbd.com/registration/

৩.একটি অনলাইন উপস্থিতি তৈরি করুন:

আপনার একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করুন যাতে আপনার একটি প্রোপার পোর্টফোলিও, কাজ এবং যোগাযোগের তথ্য প্রদর্শন করে। অবশ্যই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গুলো যেমনঃ ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, লিঙ্কডীন, ইত্যাদিতে আপনার কানেকশন বৃদ্ধি করুন এবং আপনার কাজগুলো আপলোড করুন।

৪.চমৎকার গ্রাহক সেবা প্রদান:

আপনার গ্রাহক সেবা বা কাজ কত ভালো হবে তার উপর আপনার ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। কারন আপনি যত ভালো সার্ভিস প্রদান করবেন তত ভালো এবং স্ট্রং ক্লায়েন্ট পাবেন। সন্তুষ্ট ক্লায়েন্টরা বারবার আপনার গ্রাহক হওয়ার এবং অন্যদের আপনার কাছে রেফার করার সম্ভাবনা বেশি থাকবে তাই অবশ্যই ক্লায়েন্টদের সন্তুষ্ট করার প্রচেষ্টায় থাকুন।

৫.ক্রমাগত শিখতে থাকা:

গ্রাফিক ডিজাইন এমন একটি ক্ষেত্র যাতে আপনার অবশ্যই ক্রমাগত শিক্ষা প্রয়োজন পরবে কারন ডিজাইনের টুলসগুলো এবং সফটওয়্যার গুলো ক্রমাগত আপডেট হতে থাকে। যদি আপডেটেড সফটওয়্যার বা টুলস গুলো সম্পর্কে প্রোপার ধারণা না থাকে তবে আপনার ডিজাইন যেমন সুন্দর না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তেমন ক্লায়েন্টের সেটিস্ফেকশন না হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

Create and Sell Templates

আপনি ডিজাইন টেম্পলেট তৈরি করে তা বিভিন্ন স্টক সাইট যেমন সাটার স্টক এ আপলোড করতে পারেন। এতে করে আপনার প্যাসিভ একটা ইনকাম শুরু হবে।

Earning By Creating Fonts

আপনি যদি ভালো টাইপোগ্রাফি পারেন তাহলে আপনি নতুন নতুন ফন্ট তৈরির মাধ্যমেও আয় করতে পারবেন। ফন্ট তৈরি করে আপনি Esty এর মতো ওয়েবসাইট থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

Working as a Freelancer

ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আপনি বিশ্বের যেকোনো জায়গায় বসে কাজ করতে পারবেন। আপনি ক্লায়েন্টের জন্য ক্রিয়েটিভ কাজ করে সহজে ইনকাম করতে পারবেন।

Share this post :

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest

Latest Post