ক্যারিয়ার গাইডলাইন

+8801787659323

গ্রাফিক্স ডিজাইনের খুঁটিনাটি অধ্যায়

গ্রাফিক ডিজাইন কি?

গ্রাফিক ডিজাইন হলো ভিজ্যুয়াল কমিউনিকেশন তৈরির একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এটি বিভিন্ন ধরণের প্লাটফর্ম যেমন প্রিন্ট, ডিজিটাল এবং ভিডিওতে ব্যবহৃত হয়। গ্রাফিক ডিজাইনের অনেকগুলি ধরণ রয়েছে, যেমন ব্র্যান্ডিং ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, প্যাকেজিং ডিজাইন এবং ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন।
গ্রাফিক ডিজাইনাররা বিভিন্ন প্লাটফর্ম এ কাজ করে থাকেন, যেমনঃ বিজ্ঞাপন, প্রকাশনা এবং মার্চেন্ডাইজিং।গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার জন্য একজন আর্টিস্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে আর্ট, ডিজাইন এবং কমিউনিকেশন সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা গুরুত্বপূর্ণ। শুধু মাত্র কম্পিউটার গ্রাফিক্স সফ্টওয়্যার যেমন অ্যাডোব ফটোশপ এবং ইনডিজাইন সম্পর্কে বেসিক ধারণা থাকা প্রয়োজন।

গ্রাফিক ডিজাইন কেন শিখা উচিত?

যদি আপনার ক্রিয়েটিভ ডিজাইনিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকে এবং সেই সাথে একজন ফ্রীলান্সার হওয়ার আগ্রহ ও থাকে, তবে আপনার ক্যারিয়ার গ্রোথ এর জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনিং শিখে রাখা উচিত। এমনকি আপনি যদি মার্কেটিং এর ভিজুয়াল কনটেন্ট এও আগ্রহি হয়ে থাকেন তবে আপানার গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখা উচিত।

গ্রাফিক ডিজাইনের ফ্রী সেমিনারে রেজিস্ট্রেশন করতে এখনই ক্লিক করুনঃ
https://blog.coderstrustbd.com/registration/

গ্রাফিক ডিজাইনে কি কি উপাদান রয়েছে?

গ্রাফিক ডিজাইনের কয়েকটি প্রাথমিক উপাদান রয়েছে যা সম্পর্কে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে সবারই জানার প্রয়োজন হয়। তা হলঃ

১. টাইপোগ্রাফি

টাইপোগ্রাফি হলো এমন একটি উপাদান যার মাধ্যমে শব্দগুলিকে সুন্দর এবং সহজে পড়ার মতো করে উপস্থাপন করা যায়। । এতে সঠিক ফন্ট নির্বাচন করা, পৃষ্ঠার সঠিক জায়গায় শব্দ আছে কিনা তা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন রং ও মাপ ব্যবহার করার মতো বিষয় জড়িত। যখন আমরা টাইপোগ্রাফি ব্যবহার করি, তখন আমরা এমন লেখা তৈরি করতে পারি যা বোঝা সহজ এবং সত্যিই সুন্দর দেখায়। টাইপোগ্রাফি শব্দগুলোকে সুন্দর ও সহজে পড়তে সাহায্য করে। এটি শব্দের অনুভূতি দেখাতেও সাহায্য করে। টাইপোগ্রাফি-তে কয়েকটি সাধারন টার্মস রয়েছে। যেমনঃ Common types of fonts, Alignment, kerning, leading, tracking, hierarchy, etc.

২. কালার

কালার গ্রাফিক ডিজাইনে সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ কারণ Color ব্যাবহারের ফলে ডিজাইনগুলি দুর্দান্ত হয়ে উঠে এবং মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠে। কালারফুল জিনিস সকলের কাছে দেখতে ভালো লাগে, আপনা আপনি চোখ চলে যায়। কালার-এ কয়েকটি সাধারন টার্মস রয়েছে। যেমনঃ primary and secondary colors, Triadic, monochromatic, Analogous, Complementary, Visual hierarchy, etc.

৩. লেআউট এবং কম্পোজিশন

লেআউট এবং কম্পোজিশন গ্রাফিক ডিজাইনের বিল্ডিং ব্লকের মতো। লেআউট এবং কম্পোজিশন একটি ডিজাইন সুন্দর করতে এবং ডিজাইনের প্রতি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সাহায্য করে। লেআউট হল আপনি কিভাবে একটি ডিজাইনের বিভিন্ন অংশ সংগঠিত করেন, যেমন প্রস্থ এবং কাঠামো সাজানো। কম্পোজিশন হল আপনি ডিজাইনের প্রতিটি অংশকে এমনভাবে সাজান যেটা সুন্দর এবং ভারসাম্যপূর্ণ দেখায়। যখন আপনার একটি ভাল লেআউট এবং কম্পোজিশন থাকে, এটি ডিজাইনকে দৃষ্টি আকর্ষণ উপযোগী করতে সাহায্য করে। এটি ডিজাইনের বিভিন্ন অংশকে একসাথে সুন্দরভাবে প্রবাহিত করতে সহায়তা করে। সামগ্রিকভাবে, একটি ভাল লেআউট এবং কম্পোজিশন একটি ডিজাইনকে সত্যিই আকর্ষণীয় দেখাতে পারে এবং যারা এটি দেখেন তাদের উপর একটি ভাল ছাপ ফেলে। লেআউট এবং কম্পোজিশন-এ কয়েকটি সাধারন টার্মস রয়েছে। যেমনঃ Proximity, White space, Contrast, Alignment, etc.

৪. ব্র্যান্ড এবং আইডেন্টিটি

ব্র্যান্ড এবং আইডেন্টিটি হল একটি কোম্পানির আইডেন্টিটি প্রকাশের সহজ উপায়। ব্র্যান্ড এবং আইডেন্টিটি দ্বারা আপনার কোম্পানির মান সম্পর্কে মানুষকে জানতে সাহায্য করে। ব্রান্ড এবং আইডেন্টিটি মানুষের কাছে প্রকাশ করতে গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রয়োজন হয় অর্থাৎ আপনার ডিজাইন যত সুন্দর হবে আপনার কোম্পানির ব্রান্ড আইডেন্টিটি মানুষের কাছে তত ফুটে উঠবে।

৫.শেপ

শেপ বা আকৃতি গ্রাফিক্স ডিজাইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি বস্তুর সীমার মাধ্যমে একটি একক, বৃত্তাকার, আবচ্ছিত, বৃহত্তর, ত্রিভুজ, একটি বৃদ্ধির অঙ্ক, অথবা কোনও অন্য আকৃতির সাথে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে। আকৃতি বা শেপ ব্যবহার করে গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা আকর্ষণীয় এবং পটেনশিয়াল ভিজুয়াল কমিউনিকেশন তৈরি করতে সাহায্য নেয়। আকৃতি ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজাইনে হায়ারারকি, বাধা, ব্যক্তিত্ব, বা কোনও নির্দিষ্ট ধারার জন্য স্থিরতা বা আভাস তৈরি করা যায়।

Share this post :

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest

Latest Post